দেবী সতী পিতা দক্ষের অমতে মহাদেব কে বিবাহ করে দক্ষপুরী করে ত্যাগ করে কৈলাসে গমন করেন। এর কিছুকাল পরে দেবী সতী জ্ঞাত হন পিতা দক্ষ একটি যজ্ঞ করছেন যেখানে সমস্ত দেব দেবী নিমন্ত্রিত থাকলেও মহাদেব নিমন্ত্রিত নন। দেবী পিতা দক্ষের উপর অত্যন্ত অভিমানী হয়ে মহাদেবের কাছে পিতৃগৃহে যাবার অনুমতি প্রার্থনা করেন। মহাদেব দেবীকে অনেক ভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেন যে বিনা নিমন্ত্রণে কোথাও যাওয়া উচিত নয় হলই বা তা পিতৃগৃহ। এতে দেবী অত্যন্ত ক্রোধান্বিত হয়ে কালী রূপ ধারণ করলে মহাদেব তাঁকে পিতৃগৃহে যাবার অনুমতি প্রদান করেন।
দক্ষপুরী পৌঁছে দেবী সতী শিবহীন যজ্ঞ দেখে আর নিজ পিতার মুখে স্বামী নিন্দা অর্থাৎ শিব নিন্দা সহ্য করতে না পেরে যজ্ঞ স্থলে অগ্নি তে আত্মাহুতি দেন।
শিব সতীর প্রাণহীন দেহ নিজ স্কন্ধে নিয়ে শোকে ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে তাণ্ডব শুরু করলে সমস্ত দক্ষ পুরী ধ্বংস হয়ে সমগ্র পৃথিবী ধ্বংসের উপক্রম হয়। তখন শ্রী বিষ্ণু সুদর্শন চক্রের দ্বারা দেবী সতীর প্রাণহীন দেহকে ৫১ টি খন্ডে বিভক্ত করেন। দেবী সতীর এই দেহ খণ্ড গুলি পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে পতিত হয়ে সৃষ্টি করে সতী পীঠ।
এই ৫১ টি খন্ডের পাঁচটি খন্ড আমাদের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় পতিত হয়।
- কঙ্কালীতলা যেখানে দেবীর কঙ্কাল বা কাঁখাল পতিত হয়েছিল । এই স্থান টি বীরভূম জেলার বোলপুর শহরের কাছে অবস্থিত।
- অট্টহাস্য বা দেবী ফুল্লরা যেখানে দেবীর ওষ্ঠদ্বয় পতিত হয়েছিল। এই স্থান টি বীরভূম জেলার লাভপুরে অবস্থিত।
- নান্দীকেশ্বরী দেবী যেখানে দেবীর কন্ঠহাড় দ্বয় পতিত হয়েছিল। এই স্থানটি বীরভূম জেলার সাঁইথিয়ায় অবস্থিত।
- নলাটেশ্বরী দেবী যেখানে দেবীর কন্ঠ নলী পতিত হয়েছিল। এই স্থানটি বীরভূম জেলার নলহাটিতে অবস্থিত।
- মহিষমর্দিনী দেবী যেখানে দেবীর ভ্রু দ্বয়ের মাঝের অংশ পতিত হয়েছিল। এই স্থানটি বীরভূম জেলার বক্রেশ্বরে অবস্থিত।
ইহা ছাড়া ও







